চীনের সঙ্গে উত্তেজনার কারণে চার বছর ধরে স্থগিত থাকা অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষে আবারও ভারতীয় বাজারে প্রবেশ করতে চলেছে চীনা পণ্য। ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ, জুতো, গৃহস্থালির সামগ্রী, স্টিল, কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্যের আমদানির জন্য এখন দ্রুত অনুমোদন দিচ্ছে সরকার।
GST হ্রাসের ফলে দাম কমেছে এবং বিক্রি বেড়েছে, যার ফলে কোম্পানিগুলি দ্রুত স্টক খালি করে ফেলেছে। বড় টিভি, ফ্রিজ, ওয়াশিং মেশিনের চাহিদা এতটাই বেড়েছে যে প্রিমিয়াম ইলেকট্রনিক্সে এখন অপেক্ষার তালিকা তৈরি হয়েছে।
এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় শিল্প ও অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য প্রচার বিভাগ (DPIIT) সম্প্রতি কোম্পানিগুলিকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, কোন বিদেশি নির্মাতা সংস্থার সার্টিফিকেশন বিলম্বিত হচ্ছে তার বিস্তারিত দিন। শিল্প সংগঠনগুলির কাছ থেকেও হালনাগাদ তথ্য চাওয়া হয়েছে।
এক সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, “চীনসহ একাধিক দেশের সরবরাহকারীদের লাইসেন্স ইস্যু ও নবীকরণ শীঘ্রই শুরু হবে।” BIS নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো দেশি বা বিদেশি উৎপাদন ইউনিটের জন্য সার্টিফিকেশন বাধ্যতামূলক। চীনা কারখানাগুলির ক্ষেত্রে এই অনুমোদন প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিলম্বিত ছিল।
সম্প্রতি চীন ভারতে ভারী rare earth magnet রপ্তানি পুনরায় শুরু করেছে, যা ইলেকট্রিক যান, রিনিউয়েবল এনার্জি ও কনজিউমার ইলেকট্রনিক্স শিল্পে চাপ কমাবে।
সরকার দীর্ঘদিন ধরে BIS অনুমোদন ধীর করে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। তবে শিল্প মহল বলছে, স্থানীয় উপাদানের অভাবে উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছিল।
এই অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত হওয়ায় উৎসব ও বছরের শেষের কেনাকাটার মরসুমে স্টক পুনরুদ্ধার সহজ হবে।
রাজনৈতিক দিক থেকেও পরিবর্তন এসেছে—ভারত-চীন সরাসরি বিমান পরিষেবা আবার শুরু হয়েছে, এবং চীনা ব্যবসায়ীদের ভিসা অনুমোদনও শুরু হয়েছে।