আমাদের চারপাশে এমন অনেক ঘটনা ঘটে যা সাধারণ ভাবে আমাদের চোখ হয়ত ধরা পড়ে না। কিংবা ধরা পড়লেও অতটা সিরিয়াসলি নিই না। কিন্তু যখনই ভাবতে বসি তখনই আক্কেল গুড়ুম হয়ে যাওয়ার যোগার। আপনি কি জানেন পৃথিবীর অর্ধেকের বেশি অক্সিজেন প্লাঙ্কটন এবং সামুদ্রিক শৈবাল থেকে আসে। এক চা চামচ মাটিতে পৃথিবীর মানুষের থেকে বেশি অণুজীব রয়েছে। এক ফোটা জলে একশ কোটির বেশি ব্যাকটেরিয়া থাকতে পারে।
মানুষের চোখ প্রতি সেকেন্ডে ১১ টি ছবি দেখতে পারে। অতিরিক্ত চিনি খেলে স্মৃতিশক্তি হ্রাস পায়। মানুষের প্রতিটি ডিএনএ একসঙ্গে জোড়া দিলে মাটি থেকে চাঁদ কয়েকবার পেঁচিয়ে ফেলা যাবে। মানুষের পাকস্থলীর অ্যাসিড এত শক্তিশালী যে একটি রেজার ব্লেডকে গলিয়ে দিতে পারে। মানুষের শরীরে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৫ মিলিয়ন রক্তকণিকা তৈরি হয়।
এক কাপ কফিতে ১০০ টির বেশি রাসায়নিক থাকে। খরগোশ আর তোতাপাখি মাথা সোজা রেখেও পিছনের দৃশ্য দেখতে পারেন। প্রজাপতির পায়ে রয়েছে টেস্ট রিসেপ্টর তাই সে কোনও বস্তুর ওপর বসলে তার স্বাদ বুঝতে পারে। স্টেগাসোরাস ডায়নোসরদের দৈর্ঘ্য ৯ মিটার কিন্তু মস্তিষ্ক ছিল আখরোটের মত।
মহাকাশে মাধ্যাকর্ষণ না থাকায় মেরুদণ্ডের ওপর কোনও চাপ থাকে না ফলে মেরুদণ্ডের দৈর্ঘ্য কিছুটা বাড়ে। ক্যাংগারু এবং ইমু পাখি পিছন দিকে যেতে পারে না।
আপনি অনেক কিছু পারতে পারেন কিন্তু চোখ খোলা রেখে হাঁচতে পারবেন না। এটাও জেনে রাখবেন আপনার স্বপ্নের রঙ সবসময় সাদাকালো। পৃথিবীতে প্রতিবছর ১০ লাখের বেশি ভূমিকম্প হয় যার বেশিরভাগ আমরা টের পাই না। এবার একটা এমন কথা শুনবেন যেটা আপনাকে রীতিমত ভিমড়ি খাইয়ে দেবে। পিঁপড়ে পৃথিবীর সবথেকে শক্তিশালী প্রাণী। পিঁপড়ে নিজের দেহের তুলনায় ২০ গুণ বেশী ওজন বহন করতে পারে।