Calcutta Television Network

‘মহিষাসুরমর্দিনী’ রূপে বহু বছর পর আসছেন পায়েল! কোন দেবী রূপে ধরা দেবে অভিনেত্রী?

আর ৬০টা দিনও বাকি নেই বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজোর। কলকাতার প্রায় বড় বড় সবকটা ক্লাবের পুজোর জন্য প্যান্ডেল বাঁধার কাজ শুরু হয়ে গেছে। এক কথায় বলা যায়, একরাশ উৎসব যেন বাঙালিদের বাড়ির দরজায় কড়া নাড়ছে। অল্প অল্প করে অনেকেই পুজোর জন্য শপিং করতে শুরু করে দিয়েছে। আবার, পুজোর সময় সেরার সেরা ক্লাবের পুজো শিরোপা জেতার জন্য হাড্ডাহাড্ডি লড়াইও চলে। পশ্চিমবঙ্গবাসীর কাছে দুর্গাপুজো আক্ষরিক অর্থে শুরুই হয় বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের ‘মহিষাসুরমর্দিনী’-এর হাত ধরে। 

বাংলার শ্রোতারা যেমন ভালোবাসেন বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের কণ্ঠে 'মহালয়া' আবার তেমন অনেক দর্শকেরা পছন্দ করেন টেলিভিশনে বিভিন্ন চ্যানেলে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ দেখতে। হাতে যেহেতু আর বেশিদিন বাকি নেই সেইজন্য বাংলার ষ্টুডিওপাড়াতেও সাজোসাজো রব দেখা যাচ্ছে। কারণ, সারাবছর ধরে বিভিন্ন সিনেমা কিংবা সিরিয়ালের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের এই বিশেষ দিনে ক্যামেরার সামনে ধরা দেয় একেবারে অন্যরূপে। তাই, এই মুহূর্তে শোনা যাচ্ছে সান বাংলার ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ রূপে ধরা দেবে অভিনেত্রী পায়েল দে। 

এই প্রথমবারই যে অভিনেত্রীকে মা দূর্গারূপে পর্দায় দেখা যাবে এমনটা নয়। এর আগে অনেকবারই অভিনেত্রীকে বিভিন্ন পৌরাণিক চরিত্রে দেখেছেন বাংলার দর্শকরা। এই মুহূর্তে অভিনেত্রীকে দেখা যাচ্ছে 'কোন সে আলোর স্বপ্ন নিয়ে' ধারাবাহিকে। এক সাক্ষাৎকারে পায়েল এই ‘মহিষাসুরমর্দিনী’ নিয়ে বললেন, প্রতিটা নৃত্যশিল্পীর কাছেই এই পৌরাণিক চরিত্রে কাজ করা একটা স্বপ্নপূরণের মতো। অভিনেত্রী স্মৃতিচারণা করে আবার বললেন, ২০১৭ সালে অভিনেত্রী শেষ এক চ্যানেলের জন্য মহিষাসুরমর্দিনী করেছিলেন। এখন অভিনেত্রীর সিরিয়ালে কাজ করার সঙ্গে সঙ্গে মহালয়ার জন্যই জোরকদমে মহড়া চলছে। পায়েলের মতে, পৌরাণিক কাহিনীর চিত্রনাট্যের সঙ্গে এখনকার আধুনিকতাকে মেলবন্ধন করা হয়েছে। এতবছর পর  ‘মহিষাসুরমর্দিনী’তে কাজ করতে পেরে তাঁর খুবই ভালো লাগছে।

শেয়ার করুন