1 / 7
গ্ল্যামারাস দেখানোর জন্য শুধুমাত্র ত্বকের উপরের স্তরের যত্ন নিলেই হবে না। আপনাকে ভিতর থেকে হয়ে উঠতে হবে হেলথি। যা বহিঃপ্রকাশ পাবে আপনার ত্বকের মাধ্যমে।
2 / 7
তবে পুষ্টিকর খাদ্য ইনটেক করার পাশাপাশি আপনাকে ত্বককেও দিতেও হবে , রেটিনোল, ভিটামিন সি সিরাম, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড সহ ত্বকের প্রয়োজনীয় পুষ্টি।
3 / 7
এই মুহূর্তে যেসব স্কিন কেয়ার প্রোডাক্টগুলি অত্যন্ত বেশি ফলদায়ক বা যেসব প্রোডাক্ট ব্যবহারের ৩ - ৪ সপ্তাহ পর থেকেই ত্বকে লক্ষ্য করা যায় দারুন পরিবর্তন , সেগুলি হলো সিটাফিল ক্লেনজার, ওলে রেটিনল, নিভিয়া ক্রিম, লরিয়াল এজ পারফেক্ট।
4 / 7
এগুলি ব্যবহার করবেন কি করে ?.....এখন অনেক ডার্মাটোলজিস্টরাই বলছেন রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে সিটিএম পদ্ধতিতে স্কিন কেয়ার করা অত্যাবশ্যক। এই সিটিএম পদ্ধতি আসলে কি ? এটি হলো ক্লিনিং, টোনিং ও ময়শ্চারাইজিং পদ্ধতির এক সমন্বয়।
5 / 7
সিটাফিল এর ক্লেনসারের দ্বারা পুরো মুখটা পরিষ্কার করার পর যদি মিনিমালিস্ট এর টোনার, সিটাফিলের ময়শ্চারাইজার দিয়ে আধাঘন্টা ত্বকে ম্যাসেজ করা যায় , তবে আপনার ত্বকের ঔজ্বল্য বাড়ার সাথে সাথে বাড়বে আপনার সৌন্দর্য্যও।
6 / 7
আর তার সঙ্গে যদি স্যালিসাইলিক আসিডের, মিনিমালিস্ট এর ভিটামিন সি আর হোয়াইটেনিং এর ক্রিম দেওয়া যায় তবে ৩ - ৪ সপ্তাহের মধ্যেই ফল পাবেন হাতে নাতে।
7 / 7
আর যদি প্রতিদিন মেক আপের ফলে স্কিনের ১২ তা বেজে গিয়ে থাকে। তবে পারফেক্ট সল্যুশন পেতে আসতে পারেন ডক্টর প্লাস এ। বিরাটি মিনি বাস স্ট্যান্ড এর ঠিক বিপরীতেই আছি আমরা। এপয়েন্টমেন্ট নিন আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আর পেয়ে যান পুজোর আগেই আপনার কাঙ্খিত গ্ল্যামার।
শেয়ার করুন