1 / 8
বেশ কয়েকমাস আগে থাকতেই দেখা যাচ্ছিলো সৌরজগতে ভ্রমণরত একটি বস্তু যা ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে পৃথিবীর দিকে । হাওয়াই ও ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের একটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রথম যখন এই চিত্র প্রকাশিত হয়েছিল, সেইসময় পৃথিবীব্যাপী আকাশ বিজ্ঞানীদের মধ্যে নতুন চাঞ্চল্য দেখা যায়।
2 / 8
পর্যবেক্ষণকেন্দ্র থেকে নেওয়া চিত্রে দেখা গেছে যে 3I ATLAS-এর কেন্দ্রটি অন্ধকারাছন্ন ও পাথুরে। এবং তার সেই পাথুরে কেন্দ্রকে ঘিরে আছে এক উজ্জ্বল আলো। বিজ্ঞানীরা বিশ্লেষণ করে বলছেন, ওই উজ্জ্বল আলোটি হলো আসলে বরফ ও ধূলিকণার মিশ্রনে তৈরি একটি ধোঁয়াটে বায়ুমণ্ডল।
3 / 8
টেলিস্কোপ থেকে দেখা গেছে যে এই 3I ATLAS একটি বেগুনি রঙের আলোকরেখা বরাবর প্রায় ১০,০০০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি জেটের ন্যায় সূর্যের দিকে ছুটে যাচ্ছে।আবার কিছু কিছু বিজ্ঞানী এও বলছেন যে সূর্যের দিকে নয়, পৃথিবীকে লক্ষ্য করেই নাকি ছুটে আসছে এই ধূমকেতু।
4 / 8
লাইট ব্রিজেস রিসার্চের প্রধান বিজ্ঞানী 'মাইকেল সেরা রিকার্থ' এই জেট এর ন্যায় অংশটির উপর গবেষণা করে জানান যে,এটি মূলত কার্বন ডাই-অক্সাইড ও ধূলিকণার মিশ্রনে তৈরী একটি জিনিস। সূর্যের তাপে 3I ATLAS- এর বরফাচ্ছন্ন পৃষ্ঠ অসমভাবে গরম হওয়ার কারণে এর নিচে জমে থাকা গ্যাস ফেটে গিয়ে বিস্ফোরণের মতো করে ছুটে বেরিয়ে এসেছে যা কিনা দূর থেকে দেখে এমন জেট এর মতো লাগছে।
5 / 8
তবে যে বিষয়টি বিজ্ঞানীদের সব থেকে বেশি আশ্চর্যচকিত করেছে সেটি হলো এর উৎপত্তি স্থল। গবেষণা করে দেখা গেছে যে 3I ATLAS আমাদের সৌরজগতের নয়, এটি অন্য কোনো নক্ষত্রমণ্ডল থেকে আসা এক ভিনদেশি পথিক।
6 / 8
তীব্র গতিতে ধেয়ে আসতে আসতে হঠাৎই, এটি গতিবেগ কমিয়ে এক জায়গায় স্থির হয়ে যায়।কিছুদিনের জন্য এক জায়গায় থেমে, তারপর ফের চলা শুরু করে। এই বিরল ঘটনার পর থেকেই বিজ্ঞানীরা ধারণা করতে থাকেন যে এটি কোনো ধূমকেতু নয়। এটি একটি ভিনগ্রহের ইউএফও। যার মধ্যে আছে ভিনগ্রহের প্রাণীরা।
7 / 8
এই সম্ভাবনার কথা প্রকাশ্যে আসতেই ধুন্দুমার পরে যায় বিজ্ঞানীমহলে।
8 / 8
তবে কি ভবিষ্যমালিকা, নষ্টারদামস আর বাবা ভাঙার ভবিষ্যৎবাণী এবার সত্যি হবে ?এরা সকলেই বলেছিলেন ২০২৬ এ ভিনগ্রহের প্রাণীরা পৃথিবীতে হামলা করবে। তবে কি 3I ATLAS তারই পূর্বাভাস দিচ্ছে ?
শেয়ার করুন