1 / 6
গোরোপিয়াস তার এক লেখাতে দাবি করেন যে তাঁর স্থানীয় উপভাষাই নাকি অ্যাডম আর ইভের ব্যবহৃত প্রথম পার্থিব ভাষা।
2 / 6
ষষ্ঠদশ শতকে ভাষাবিদ্যায় আগ্রহী এই ভদ্রলোক, জোহানেস গোরোপিয়াস প্রথম প্রশ্ন তোলেন যে মানবজাতির “মূল” ভাষা কি ? তার উত্তরে তিনি নিজেই দাবি করেন যে, যেই ভাষাকে তিনি “অ্যাডামিক” বলেন, অর্থাৎ যে ভাষাটি ব্রাবান্টের উপভাষার সঙ্গে সম্পর্কিত সেটাই নাকি পৃথিবীর সবচেয়ে আদিম ভাষা।
3 / 6
এর পিছনে গোরোপিয়াস যে যুক্তিটি দিয়েছিলেন তা হলো, ব্রাবান্টিয়ান উপভাষায় ব্যবহৃত শব্দগুলি সবচেয়ে সহজ ও সরল হয়। প্রাচীন হিব্রু, ল্যাটিন বা গ্রিকের মতো জটিল ভাষাগুলির তুলনায় এই উপভাষাটি অনেকটাই সহজবোধ্য তাই জটিলতাহীন এই ভাষাটিই নাকি পৃথিবীর প্রথম ভাষা।
4 / 6
ইতিহাসজুড়ে এমন বহু পণ্ডিতই আছেন , যারা একসময় চেয়েছিলেন আদম-ইভের ভাষা নির্ধারণ করতে ? এদের মধ্যে, কেউ কেউ বলেন অ্যাডম- ইভের ভাষা নাকি ছিল হিব্রু, আবার কেউ কেউ বলেন যে হিব্রু নয়, অ্যাডম- ইভের ভাষা নাকি ছিল ল্যাটিন। তবে গোরোপিয়াসের তত্ত্ব এদের মধ্যে সবচেয়ে বিচিত্র।কারণ তিনি শুধু ব্রাবান্টিয়ান উপভাষাকেই অ্যাডম আর ইভের ভাষা বলে দাবি করেননি । বরং পুরো ব্রাবান্ট অঞ্চলটাকেই অ্যাডম ইভের উদ্যান বলে দাবি করেন।
5 / 6
যদিও কিছু মানুষ গোরোপিয়াসের এই তত্ত্বকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছিলেন সেইসময় ।তবে অধিকাংশ তৎকালীন পণ্ডিতই তাঁর এই দাবি খারিজ করে দেন পুরোপুরি।
6 / 6
গোরোপিয়াস তাঁর এই তত্ত্বটিকে প্রতিষ্ঠা করতে, বাইবেলে ব্যবহৃত নামগুলোর উৎস বিশ্লেষণ করেছিলেন। তিনি বলেন যে বাইবেলে উল্লিখিত , “নোয়া” নামটি এসেছে ব্রাবান্টীয় শব্দ 'নোড' থেকে যার অর্থ হলো প্রয়োজন। আর 'আদম' নামটি এসেছে 'হাথ-ডাম' নামক ব্রাবান্টিয়ান শব্দ থেকে, যার অর্থ হলো “ঘৃণার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে থাকা বাঁধ”।
শেয়ার করুন