1 / 7
লক্ষ্মী আর সরস্বতীর দুই বোন হলেও, তাদের বৈশিষ্টগুলি একে ওপরের থেকে একেবারে ভিন্ন । লক্ষীর আরাধনা করতে গেলে পূজার জায়গাটি পরিষ্কার রাখা একেবারে 'মাস্ট' . কিন্তু সরস্বতীর ক্ষেত্রে তা একদমই নয়। কোনো শিল্পী যখন ছবি আঁকেন তার টেবিলে সবকিছু ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। কিন্তু শিল্পী যখন আঁকা শেষ করেন তখন ওই ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা পরিবেশ থেকেই বেরিয়ে আসে এক অপরূপ শিল্প। তাই সরস্বতীর আরাধনার জন্য 'পরিষ্কার জায়গা' বাধ্যতামূলক নয়।
2 / 7
জায়গা পরিষ্কার রাখার সঙ্গে লক্ষীর অধিষ্ঠানের সম্পর্ক এতো নিবিড় হওয়ার কারণেই কোথাও ঝাঁটাকে ' মা লক্ষীর ' অন্যতম রূপ হিসেবে ধরা হয় ভারতীয় সংস্কৃতিতে।
3 / 7
বলা হয় ধনতেরাসের দিন সমস্ত অশুভ শক্তিকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার জন্যই নাকি ঝাঁটা কেনা হয় । ধনতেরাসের দিন ঝাঁটা কেনার এই নিয়ম প্রধানত আছে অবাঙালিদের মধ্যে। কিন্তু এখন এই 'মিক্স- ব্রিড' সভ্যতার যুগে বাঙালিরাও এখন এই রীতিকে দত্তক নিয়েছে।
4 / 7
অনেকে মনে করেন একটা সামান্য ঝাঁটায় , কি আর মাহাত্ম থাকতে পারে ? তবে বলা বাহুল্য বাস্তুশাস্ত্রে ঝাঁটার অবস্থানের উপর অনেকাংশেই দায়ী গৃহস্থের কল্যাণ অকল্যাণ।
5 / 7
ঝাঁটা রাখা উচিত গৃহের উত্তরে বা উত্তর পশ্চিমে, এবং ঘরের এমন একটি স্থানে যেখান থেকে সহজে, বস্তুটি লোকের দৃষ্টিগোচর হবে না। এইভাবে ঝাঁটা রাখলে লক্ষীদেবীর কৃপায় জীবনে আসবে সমৃদ্ধি।
6 / 7
'মা লক্ষ্মীর' আর এক রূপ হওয়ার কারণে , গ্রামবাংলায় ঝাঁটায় পা লাগালেই, সেটিকে সঙ্গে সঙ্গে ' নমস্কার' করার প্রচলন আছে। এছাড়াও ওড়িষ্যাতে ঝাঁট দেওয়ার আগে, ঝাঁটাকে নমস্কার করে নিয়ে তবেই ঝাঁট দেওয়া হয়।
7 / 7
অনেকে বলেন যদি জীবনে অর্থকষ্ট হয় তাহলে একটি সোনার ঝাঁটা পুজো করে লকারে রাখলে, সেই লকার কখনো অর্থশূন্য হবে না।
শেয়ার করুন