1 / 8
বিয়ে একটি সিদ্ধান্ত, যা জীবনকে বদলে দেয়। সমাজে দীর্ঘদিন ধরেই একটি প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে-ছেলেদের বিয়ের সঠিক বয়স আসলে কত? কেউ বলেন আগে বিয়ে করলে ভালো, কেউ আবার মনে করেন ক্যারিয়ার গড়ে তোলার পর বিয়ে করাই সঠিক। কিন্তু আধুনিক সময়ে বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?
2 / 8
আগের দিনে বিয়ের বয়স খুব কম ছিল। ১৮-২০ বছরেই অনেকের সংসার শুরু হয়ে যেত। কারণ সমাজে তখন ক্যারিয়ার, আর্থিক নিরাপত্তা বা ব্যক্তিগত স্বাধীনতার মতো বিষয়গুলো এতটা গুরুত্ব পেত না। পরিবারই ছিল একমাত্র ভরসা। কিন্তু সময় বদলেছে। এখন শিক্ষা, ক্যারিয়ার, আর্থিক স্থিতি এবং মানসিক পরিপক্কতা-সবকিছু মিলিয়ে তবেই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
3 / 8
নতুন দিল্লির লেডি হার্ডিং মেডিকেল কলেজ-এর প্রফেসর ও সাইকিয়াট্রিস্ট ডঃ প্রেরণা কুকরেতী স্পষ্ট করে বলেছেন- ছেলেদের জন্য বিয়ের উপযুক্ত বয়স ২৫ থেকে ৩২ বছর। কারণ এই সময়ের মধ্যে সাধারণত পড়াশোনা শেষ হয়ে যায়, ক্যারিয়ারের প্রাথমিক স্থিতি তৈরি হয় এবং সম্পর্কের দায়িত্ব নেওয়ার মানসিক শক্তি গড়ে ওঠে।
4 / 8
২৫ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে একজন যুবক মানসিকভাবে পরিপক্ক হয়ে ওঠেন। আর্থিকভাবে স্থিতিশীলতা পান। সম্পর্ক বজায় রাখার দক্ষতা অর্জন করেন। এই ভারসাম্যটাই একটি দীর্ঘস্থায়ী বিবাহিত জীবনের জন্য জরুরি।
5 / 8
২০-২২ বছর বয়সে বিয়ে করলে সঙ্গীর সঙ্গে একসঙ্গে বেড়ে ওঠার সুযোগ থাকে। দাম্পত্য জীবনের সময় বেশি পাওয়া যায়। কিন্তু ক্যারিয়ার গড়ে ওঠার আগেই সংসারের দায়িত্ব এলে চাপ বেড়ে যায়। আবেগের অপরিপক্কতা সম্পর্কের টানাপোড়েন বাড়াতে পারে।
6 / 8
৩০-৩৫ বছরের পর বিয়ে করলে আর্থিক নিরাপত্তা বেশি থাকে। জীবনের অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায়, সঙ্গীর কাছ থেকে কী চান। তবে সন্তান পরিকল্পনা, শারীরিক জটিলতা ও সামাজিক চাপ দেখা দিতে পারে।
7 / 8
ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার শচীন তেন্ডুলকরের ছেলে অর্জুন তেন্ডুলকর ২৫ বছর বয়সে বাগদান করে আলোচনায় এসেছেন। অনেকেই মনে করছেন, এটাই সঠিক সময়-না খুব তাড়াতাড়ি, না খুব দেরি।
8 / 8
বিয়ের সঠিক বয়স আসলে ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু সাধারণভাবে ২৫ থেকে ৩২ বছরের মধ্যে বিয়ে করলে একজন পুরুষের মধ্যে মানসিক পরিপক্কতা, আর্থিক স্থিতি ও দায়িত্ব নেওয়ার ক্ষমতা তৈরি হয়। ফলে দাম্পত্য জীবন হয় সুখী ও স্থায়ী।
শেয়ার করুন