1 / 9
ঋতুস্রাব, মেয়েদের জীবনে এই বিষয়টা একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতি মাসের এই সময়তে মেয়েদের শরীরে নানা ধরণের পরিবর্তন হতে দেখা যায়। আবার, অনেক মেয়ের ঋতুস্রাবের আগে তৈলাক্ত ত্বকে ব্রণ-ফুস্কুড়ি জানান দেয় আর কিছুদিনের মধ্যেই মাসিক হতে চলেছে।
2 / 9
ঋতুস্রাবের সময় হরমোনের পরিবর্তনের কারণে ত্বকে ব্রণ বা ফুসকুড়ির সমস্যা বেড়ে যায়। বিশেষ করে যাদের ত্বক তৈলাক্ত, তাদের জন্য এই সময়ে ত্বকের যত্ন নেওয়া একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
3 / 9
বিশেষ করে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের তারতম্য ত্বকে অতিরিক্ত তেল উৎপাদন ঘটায়, যা ব্রণর জন্ম দেয়।
4 / 9
ঋতুস্রাবের সময়ে ব্রণর সমস্যা মূলত হরমোনের ওঠানামার কারণে দেখা দেয়। এই সময় শরীরে ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন ও টেস্টোস্টেরনের মাত্রা পরিবর্তিত হয়, যা ত্বকের উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।
5 / 9
লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়া:
হরমোনের প্রভাবে ত্বক ফুলে ওঠে, যার ফলে লোমকূপগুলো আরও সংকুচিত হয়। এর ফলে অতিরিক্ত তেল, মৃত কোষ এবং ময়লা সহজেই লোমকূপের ভেতরে আটকে যায়, যা ব্রণ বা ফুসকুড়ি তৈরি করে।
6 / 9
অতিরিক্ত তেল উৎপাদন:
ঋতুস্রাবের ঠিক আগে প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। এই হরমোন ত্বকের তেলগ্রন্থিগুলোকে উদ্দীপিত করে, যার ফলে অতিরিক্ত তেল বা সিরাম উৎপন্ন হয়। এই অতিরিক্ত তেল ত্বকের লোমকূপ বন্ধ করে দেয়, যা ব্রণ তৈরির প্রধান কারণ।
7 / 9
ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি:
ত্বকের ভেতরে প্রোপিওনিব্যাকটেরিয়াম অ্যাকনেস নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়া থাকে। যখন লোমকূপ বন্ধ হয়ে যায় এবং সেখানে অতিরিক্ত তেল জমা হয়, তখন এই ব্যাকটেরিয়া দ্রুত বংশবৃদ্ধি করতে শুরু করে, যা প্রদাহ এবং পুঁজযুক্ত ব্রণ তৈরি করে।
8 / 9
টেস্টোস্টেরনের প্রভাব:
যদিও ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন মহিলাদের প্রধান হরমোন, কিন্তু মহিলাদের শরীরেও কিছু পরিমাণে টেস্টোস্টেরন থাকে। ঋতুস্রাবের আগে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের মাত্রা কমে গেলে, টেস্টোস্টেরনের প্রভাব তুলনামূলকভাবে বেড়ে যায়। এই টেস্টোস্টেরনও ত্বককে আরও তেলতেলে করে তোলে, যা ব্রণ হওয়ার প্রবণতা বাড়ায়।
9 / 9
এছাড়াও অয়েল-ফ্রি ফেসওয়াশ ব্যবহার করা থেকে শুরু করে চিনি, কফি, ভাজাভুজি কম খেলে তা ভালো হবে। পর্যাপ্ত জল পান করলে ভালো ফল পাওয়া যাবে। ব্রণ খোঁচানো বা ঘষা এড়িয়ে চলুন। ঘুম ও শরীরচর্চাকে নিয়মিত বজায় রাখতে হবে।
শেয়ার করুন