1 / 7
দুর্গাপুজোর ইতিহাস ঘাঁটলে পাওয়া যায় এক অদ্ভুত কাহিনী। শোনা যায় দুর্গাপ্রতিমা তৈরির সময় পতিলয়ের মাটি ব্যবহার করা নাকি আবশ্যিক।
2 / 7
ভাবছেন , কেন পতিতালয়ের মাটি ছাড়া দূর্গা প্রতিমা নির্মাণ করা যায় না ? এর পিছনেও আছে 'ব্যাখ্যা' । মনে করা হয় যখন কোনো ব্যক্তি বেশ্যালয়ে প্রবেশ করেন তখন, তিনি তার সমস্ত শতগুন দোরগোড়ার বাইরে রেখে, তবেই প্রবেশ করেন সেখানে। তাই বিশ্বাস করা হয় যে পতিতালয়ের দোরগোড়ায় মাটি হলো সবচেয়ে পবিত্র মাটি।
3 / 7
আবার অন্য এক মতবাদ বলছে যে, সমাজে যেসব নারীরা লাঞ্চিত ও অবহেলিত তাদের মর্যাদা দেওয়ার জন্যই নাকি চালু করা হয়েছিল এই নিয়ম।
4 / 7
তবে এই মাটি নেওয়ারও একটি বিশেষ পদ্ধতি আছে। নিয়ম হলো যে দুর্গাপুজোর পুরোহিতকে নিজে গিয়ে পতিতাদের থেকে তাদের আঙিনার মাটি নেওয়ার অনুরোধ করতে হবে।তারা মাটি দিতে রাজি হলে, তবেই মাটি নেওয়া যাবে।
5 / 7
মাটি নেওয়ার সময় বৈদিক মন্ত্র উচ্চারণ করে তবেই নিতে হবে এই মাটি। এই প্রথা ঠিক কবে থেকে চালু হয়েছিল সে বিষয়ে বিশদে কিছু জানা না গেলেও, প্রধানত সব শ্রেণীর মানুষ যাতে উৎসবে অংশগ্রহণ করতে পারেন সেকারণেই চালু হয়েছিল এই প্রথা।
6 / 7
আবার বেদ অনুসারে , দুর্গাপুজোর সময় যে নবকন্যাকে পুজোর অপরিহার্য অংশ হিসেবে মনে করা হয় তাদের মধ্যে একজন হলেন পতিতা। তাই তাদের ঘরের মাটি ছাড়া অসম্পূর্ণ থেকে যায় দুর্গাপুজো।
7 / 7
তবে ওদেরকে সমাজের মূলস্রোতে ফেরানোর জন্য যাই করা হোক না কেন, দুর্গাপুজোতে সবাই ছুটি নিলেও, ওদের ছুটি নেই কোনোদিনই। নিয়ম আছে যে কার্তিকপুজো ছাড়া অন্য আর কোনোদিন বন্ধ রাখা যাবে না পতিতালয়। আর এই নিয়ম যুগের পর যুগ মেনে এসেছে প্রতিটি দেহব্যবসায়ী।
শেয়ার করুন