1 / 10
সামনেই আসছে পুজো। আর, এই পুজোতেই বাঙালিদের পরিক্রমা করার সঙ্গে চলতে থাকবে কব্জি ডুবিয়ে দেদার খাওয়াদাওয়া। সারাবছর রসেবশে নিজেদেরকে পরিপূর্ণ করে রাখলেও এই উৎসবের কয়েকটা দিন হুজুগে ব্যক্তিরা একটু বাইরে খাবার খাওয়ার পরিমাণটা বাড়িয়েই দেয়। কিন্তু, পেট সে কি আর উৎসব-অনুষ্ঠান বোঝে।
2 / 10
যাঁদের কোষ্ঠকাঠিন্য কিংবা পেটের রোগ রয়েছে তাঁরাও একটু হলেও বাইরের যাবার খেয়েই ফেলে। কিন্তু, এখনও হাতে যেহেতু বেশ কিছুটা দিন সময় রয়েছে সেই জন্য আগেভাগে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা থেকে দ্রুত মুক্তি পেতে আপনি কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করতেই পারেন। চলুন তাহলে জেনে নেওয়া যায় ঘরোয়া কোন কোন পদ্ধতির মাধ্যমে আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে? পদ্ধতিগুলি হল-
3 / 10
জল পান: পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা খুবই জরুরি। জল শরীরকে হাইড্রেটেড রাখে এবং মল নরম করতে সাহায্য করে, ফলে সহজে মলত্যাগ হয়।
4 / 10
ফাইবারযুক্ত খাবার: আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ফাইবারযুক্ত খাবার যেমন ফল (পেঁপে, কলা), সবজি, এবং ডাল অন্তর্ভুক্ত করুন। ফাইবার মলের পরিমাণ বাড়ায় এবং সহজে মলত্যাগে সাহায্য করে।
5 / 10
হালকা গরম জল: সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে এক গ্লাস হালকা গরম জল পান করলে তা হজম প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করে তোলে।
6 / 10
লেবুর রস ও জল: সকালে হালকা গরম জলে লেবুর রস মিশিয়ে পান করলে তা হজমে সহায়তা করে এবং অন্ত্রের কার্যকারিতা বাড়াতে সাহায্য করে।
7 / 10
নিয়মিত ব্যায়াম: প্রতিদিন হালকা ব্যায়াম, যেমন হাঁটা বা জগিং, হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।
8 / 10
ত্রিপল চূর্ণ: রাতে ঘুমানোর আগে এক চামচ উষ্ণ জলে মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি একটি আয়ুর্বেদিক উপায় যা কোষ্ঠকাঠিন্যের জন্য খুব উপকারী।
9 / 10
খাবারে পরিবর্তন: চটজলদি কোষ্ঠকাঠিন্য হলে কিছুদিনের জন্য দুগ্ধজাত পণ্য, ফাস্ট ফুড এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন।
10 / 10
কোষ্ঠকাঠিন্য থেকে দূরে থাকার জন্য অতিরিক্ত চা-কফি এড়িয়ে চলতে পারেন। ফাস্টফুড ও প্রক্রিয়াজাত খাবার খুব একটা না খাওয়াই ভালো। বেশি করে জল পান করলে ভালো। দীর্ঘ সময় ধরে বসে না থাকলে কোষ্ঠকাঠিন্যর থেকে নিজেকে দূরে রাখা যাবে।
শেয়ার করুন