1 / 4
সম্প্রতি আমেরিকার মেরিল্যান্ডের এক ঘটনায় সেই দাবি যেন স্পষ্ট ।গত নভেম্বরেই জীবিত রোগীর দেহে, জিনগতভাবে পরিবর্তন করে শুকরের কিডনি প্রতিস্থাপন করেছেন আমেরিকান দুই চিকিৎসক। শুকরের দেহে একটি বিশেষ জিন ইঞ্জেক্ট করা হয়েছিল প্রথমে। যার ফলেস্বরূপ শূকরের কিডনিটি মানুষের কিডনিতে থাকা টিস্যুর ন্যায় আচরণ করতে শুরু করে। এরপর স্বাভাবিকভাবেই ওই কিডনির কার্যক্রম মানুষের কিডনির মতো হয়ে উঠলেই সেটিকে প্রতিস্থাপন করা হয় মনুষ্য শরীর।
2 / 4
শোনা যায় নাকি এই গবেষণা নাকি চলছিল অনেকদিন ধরেই।গত একদশক ধরে নানান পরীক্ষা নিরীক্ষা চললেও সমাধানসূত্র মিলছিলো না কিছুতেই। সম্প্রতি সফল হয়েছে এটি । শুকরের দেহে মানুষের কোষ ইঞ্জেক্ট করে পশুর দেহে মানব অঙ্গ তৈরির এই বিশেষ পদ্ধতির নাম জেনোট্রান্সপ্লান্টেশন।
3 / 4
যুক্তরাষ্ট্রে এই ট্রায়ালটি এফডিএ অনুমোদন পেয়েছে।যদিও ২০১৫ সালে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউটস অফ হেলথ এই গবেষণার ফান্ডিং করা বন্ধ করে দিয়েছিলো।কারণ
হিসেবে তারা বলেছিলেন যে এই গবেষণায় নৈতিক ঝুঁকি আছে। তবে গবেষকরা উত্তরে জানান যে, যুক্তরাষ্ট্রে ১ লাখেরও বেশি মানুষ অঙ্গ প্রতিস্থাপনের জন্য অপেক্ষায় আছেন - এই গবেষণা সফল হলে, তাদের জীবনে পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। এই উত্তরের পরই ফের চালু করা হয় গবেষণার ফান্ডিং।
4 / 4
১৯৬০-এ বাবুনের হৃদযন্ত্র প্রথম মানুষের শরীরে প্রতিস্থাপন করার একটি প্রচেষ্টা করা হয়েছিল। তবে তখন যে বিষয়টি সবথেকে বেশি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছিল সেটি হলো ইমিউন সিস্টেম।নিজের নয় এমন যেকোনো কোষকেই শত্রু মনে করে ধ্বংস করে দেয় মানব শরীর। অঙ্গ প্রতিস্থাপনে এটাই ছিল সব থেকে বড়ো সমস্যা। সেটিকে আংশিক পাশ কাটানো সম্ভবপর হলেও, এই সমস্যার পুরোপুরি সমাধান এখনও সম্ভব হয়নি।
শেয়ার করুন