1 / 8
ফাস্ট ফুড ও জাঙ্ক ফুড কমান- বার্গার, পিজ়া, ফ্রাইড চিকেন, চিপস ইত্যাদিতে থাকে ট্রান্স ফ্যাট ও স্যাচুরেটেড ফ্যাট। এগুলো রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বাড়ায়। তাই যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলু
2 / 8
ঘি, মাখন ও অতিরিক্ত তেল ব্যবহার কমান- অতিরিক্ত স্যাচুরেটেড ফ্যাট কোলেস্টেরল দ্রুত বাড়ায়। রান্নায় পরিমিত তেল ব্যবহার করুন এবং ভাজাভুজি কম খান। অলিভ অয়েল বা সরষের তেল সীমিত পরিমাণে ব্যবহার করতে পারেন।
3 / 8
লাল মাংস (বিশেষ করে মাটন) এড়িয়ে চলুন- মাটনে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি থাকে। সপ্তাহে একবারের বেশি না খাওয়াই ভালো। চাইলে তার বদলে চিকেন (স্কিন ছাড়া) বা ডালজাতীয় প্রোটিন বেছে নিন।
4 / 8
মাছ বেছে খান, কিন্তু অতিরিক্ত নয়- ফ্যাটি ফিশ যেমন সালমন, টুনা—এগুলোতে ওমেগা-৩ থাকে যা ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে সাহায্য করে। তবে মাছের ডিম ও অতিরিক্ত মাছের তেল খাওয়া এড়িয়ে চলুন।
5 / 8
প্রতিদিন শাক, সবজি ও ফল খান- ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার অন্ত্রে কোলেস্টেরল শোষণ কমায়। ওটস, ব্রাউন রাইস, আপেল, পেয়ারা, লাউ, পালং শাক ইত্যাদি নিয়মিত খান। ফাইবার রক্তের LDL কমাতে কার্যকর।
6 / 8
নিয়মিত ব্যায়াম করুন (দিনে অন্তত ৩০ মিনিট)- হাঁটা, দৌড়, সাইক্লিং বা যোগব্যায়াম—যে কোনও শারীরিক কসরত কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে নিয়মিত এক্সারসাইজ HDL বাড়ায় এবং LDL কমায়।
7 / 8
ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন- অতিরিক্ত ওজন কোলেস্টেরল বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। মাত্র ৫–১০% ওজন কমালেও কোলেস্টেরল লেভেলে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়।
8 / 8
ডাক্তারের পরামর্শমতো ওষুধ চালিয়ে যান- অনেক সময় শুধু ডায়েট ও ব্যায়াম যথেষ্ট নয়। সেক্ষেত্রে ডাক্তার স্ট্যাটিন জাতীয় ওষুধ দিতে পারেন। নিজে থেকে ওষুধ বন্ধ করবেন না। নিয়মিত লিপিড প্রোফাইল পরীক্ষা করান।
দ্রষ্টব্য: মাত্র ১ মাস নিয়ম মেনে চললে কোলেস্টেরলের মাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। তবে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই আসল চাবিকাঠি। হার্ট সুস্থ রাখতে আজ থেকেই শুরু করুন সচেতনতা।
শেয়ার করুন