1 / 8
অল্প খাবার খেলেই পেট ভরে যাওয়া, বারবার পেট ফোলার অনুভূতি এবং পেটের উপরের অংশে অস্বস্তি যদি নিয়মিত হতে থাকে, তবে তা হজমের সাধারণ সমস্যা নয়, পাকস্থলীর ক্যান্সারের প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।
2 / 8
কোনো স্পষ্ট কারণ ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথা ঘোরা বা শ্বাস নিতে কষ্ট হলে তা শরীরের ভেতরে ধীরে ধীরে রক্তক্ষরণ ও আয়রনের ঘাটতির ইঙ্গিত হতে পারে, যা পেটের ক্যান্সারের সঙ্গে সম্পর্কিত।
3 / 8
ডায়েট বা ব্যায়াম ছাড়াই হঠাৎ ওজন কমে যাওয়া এবং আগের মতো খাবার খেতে না পারা স্টমাক ক্যান্সারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সতর্ক সংকেত, কারণ টিউমার হজম প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে।
4 / 8
দিনের পর দিন কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বমি বমি ভাব, বিশেষ করে খাওয়ার পর বা সকালে ঘুম থেকে উঠে এই অনুভূতি হলে, সেটিকে হালকাভাবে নেওয়া উচিত নয়, কারণ এটি পাকস্থলীতে টিউমারের উপস্থিতির লক্ষণ হতে পারে।
5 / 8
নিয়মিত অ্যাসিডিটি, বুকজ্বালা বা বদহজমের সমস্যা যদি জীবনযাত্রা বদল বা ওষুধ খাওয়ার পরেও না সারে, তবে তা পাকস্থলীর ভেতরে দীর্ঘস্থায়ী কোনো গুরুতর সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
6 / 8
পেটের উপরের অংশে একটানা ব্যথা, চাপ লাগা বা শক্ত কিছু আটকে থাকার মতো অনুভূতি হলে সেটি সাধারণ গ্যাসের সমস্যা ভেবে উপেক্ষা করা বিপজ্জনক হতে পারে, কারণ এটি ক্যান্সারের শুরুর দিকের লক্ষণও হতে পারে।
7 / 8
খাওয়ার রুচি হঠাৎ কমে যাওয়া, প্রিয় খাবার দেখেও অরুচি হওয়া এবং খাবারের গন্ধে অস্বস্তি লাগা শরীরের বিপাকীয় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়, যা স্টমাক ক্যান্সারের ক্ষেত্রে দেখা যেতে পারে।
8 / 8
কালো রঙের পায়খানা, রক্তবমি বা রক্তস্বল্পতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি, কারণ এগুলি পাকস্থলীর ভেতরে অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ ও ক্যান্সারের গুরুতর ইঙ্গিত হতে পারে।
শেয়ার করুন