1 / 5
প্রাপ্তবয়স্ক কর্মী পিঁপড়েরা অসুস্থ হলে বাসা ছেড়ে দূরে গিয়ে মারা যায় ঠিকই, কিন্তু কিশোর পিঁপড়েরা, অর্থাৎ যাদের ‘পিউপা’ বলা হয়, যারা কোকুনের ভিতর থাকে, তাই তারা নিজেকে দল থেকে আলাদা করতে পারে না।
2 / 5
সেইসময় পিউপারা শরীরে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এক ধরনের তীব্র গন্ধ তৈরি করে। কর্মী পিঁপড়েরা এই গন্ধ শনাক্ত করে কোকুন ছিঁড়ে দেয় ও ভিতরে থাকা পিউপার দেহে বিষ প্রয়োগ করে। এই বিষ সংক্রমিত হয়ে পিউপা ও জীবাণু দু’টোই মারা যায় এবং তার ফলে পুরো কলোনি সুরক্ষিত থাকে।
3 / 5
তবে এক গবেষক দল পরীক্ষা করে দেখেন যে, ওই বিশেষ গন্ধ সংগ্রহ করে যদি কোনো সুস্থ পিউপার গায়েও লাগিয়ে দেওয়া হয় তাহলেও কর্মী পিঁপড়েরা তাকেও মেরে ফেলে। এতেই গবেষকরা নিশ্চিত হন যে এই গন্ধ আসলে একটি স্পষ্ট ধংসাত্বক সংকেত। এই গন্ধের মাধ্যমে পিউপা কর্মী পিঁপড়েদের সংকেত দেয় যে 'আমাকে মেরে ফেলো।'
4 / 5
গবেষকদের মতে, পিঁপড়েদের এই ধরনের আত্মত্যাগী আচরণ, পুরো কলোনিকে বাঁচাতে এবং পিঁপড়েদের বংশবিস্তার করার ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক।
5 / 5
তবে রানী পিউপাদের আচরণ হয় অন্যরকম। গবেষণায় দেখা গেছে, অসুস্থ হলেও রানী পিউপারা কিন্তু অসুস্থ হলেও এইরকম কোনো 'সংকেত' দেয় না। গবেষকদের দাবি রানী পিঁপড়েদের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা সাধারণ পিউপার তুলনায় অনেক বেশি হওয়ায় কোনো জীবাণু সংক্রমণ হলেও ,রানী পিঁপড়েরা নিজেরাই সেটি প্রতিহত করতে সক্ষম।
শেয়ার করুন