1 / 10
এমন অনেক বাঙালি আছেন যাঁরা টিফিনে বা ব্রেকফাস্টে বাঙালি খাবার ছাড়াও পাউরুটি কিবনা সাউথ ইন্ডিয়ান খাবার করতে পছন্দ করেন। আবার, অনেকে এমনও রয়েছেন যাঁরা ভাবেন সকালে কিছু হালকা খাবার অথচ সুস্বাদু খাবার হলে খুব ভালো হয়। অবশ্যই, সেই খাবার যাতে স্বাস্থ্য কমাতে পারে সেই দিকেও নজর রাখতে হবে। তাই, স্বাস্থ্যের কথা ভেবে মুগ ডালের চিল্লা বা ইডলি চাটনি সহযোগে খেয়েই থাকেন।
2 / 10
আচ্ছা, কেউ কি জানেন দ্রুত ওজন কমানের জন্য কোনটা বেশি কার্যকর, মুগ ডালের চিল্লা নাকি ইডলি? ওজন কমানোর জন্য ইডলি এবং মুগ ডালের চিল্লা উভয়ই ভালো বিকল্প। তবে, পুষ্টিগুণ এবং কার্যকারিতার দিক থেকে মুগ ডালের চিল্লা কিছুটা এগিয়ে।
3 / 10
মুগ ডালের চিল্লায় প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন এবং ফাইবার থাকে। প্রোটিন পেশি গঠনে সাহায্য করে এবং ফাইবার দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, যা অতিরিক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত রাখে।
4 / 10
একটি মুগ ডালের চিল্লায় ক্যালোরির পরিমাণ ইডলির চেয়ে বেশি হলেও, এটি দীর্ঘ সময় ধরে পেট ভরা রাখতে সাহায্য করে, ফলে অন্য খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়।
5 / 10
মুগ ডালের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম, যার ফলে এটি রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না। এটি ওজন কমানোর জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
6 / 10
একটি ইডলিতে সাধারণত মুগ ডালের চিল্লার চেয়ে কম ক্যালোরি থাকে (প্রায় ৩৫-৪০ ক্যালোরি)।
7 / 10
এটি ভাত এবং ডাল দিয়ে তৈরি হওয়ায় এবং গাঁজন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাওয়ার ফলে সহজে হজম হয়। যাদের হজমের সমস্যা আছে তাদের জন্য এটি একটি ভালো খাবার।
8 / 10
ইডলিতে কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ বেশি থাকে, যা রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে। ওজন কমানোর সময় এই বিষয়টি খেয়াল রাখা উচিত।
9 / 10
ওজন কমাতে চাইলে সকালের পাতে মুগ ডালের চিল্লা রাখাই শ্রেয়। তবে, হজমে সমস্যা থাকলে বা অম্বলের ধাত থাকলে ইডলি খাওয়া যেতে পারে।
10 / 10
চাইলে রাগি বা ওটস দিয়ে ইডলি বানালে সেটিও স্বাস্থ্যকর বিকল্প হতে পারে।
শেয়ার করুন