1 / 5
সমকামিতার বুৎপত্তি হয়েছিল সেই আদিম যুগেই, যখন মানুষ এপ ছিল। সম্প্রতি এক গবেষণা বলছে, প্রাইমেটরা নাকি নিজেদের মধ্যে সমকামী সম্পর্ক গড়ে তোলে কঠিন পরিবেশে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখতে ।এই যুক্তির অপব্যাখ্যা করলে কথাটির অর্থ অন্যরকম দাঁড়ায় ঠিকই। তবে গবেষণার ফলাফল বিকৃত হওয়ার পূর্বেই, জীববিজ্ঞানী ভিনসেন্ট বলেন যে সমকামিতা বিবর্তনেরই অংশ।তবে কি বিবর্তনের আদিকাল থেকেই খাদ্য আর জলের মতো সেক্সও তৎকালীন প্রাইমেটদের বেঁচে থাকার প্রধান রসদ ছিল ?
2 / 5
ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের জীববিজ্ঞানী ভিনসেন্ট সাভোলাইনেন বিগত আট বছর ধরে , রিসাস ম্যাকাক বানরদের নিয়ে গবেষণা করেছেন।সম্প্রতি তিনি লক্ষ্য করেন যে ওই বানর প্রজাতিদের মধ্যে, সমকামিতা খুব স্বাভাবিক একটি ঘটনা। পুরুষ পুরুষকে এবং নারী নারীকে যৌন উদ্দীপনা দিচ্ছে, প্রাণীজগতে প্রায় দেড় হাজারেরও বেশি প্রজাতির মধ্যে এমন আচরণ দেখা যায় । তবে বানরদের মধ্যে এই আচরণ সবথেকে বেশি লক্ষ্য করা যায় ।
3 / 5
গবেষণা চলাকালীন বিজ্ঞানী ভিনসেন্ট লক্ষ্য করেন যেসব প্রজাতি কঠিন পরিবেশে বসবাস করে , অর্থাৎ যাদের মধ্যে শিকারিদের ভয় মারাত্বক অথবা যাদের সমাজে বিধিনিষেধ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি , তাদের মধ্যে এইধরণের প্রবণতাও বেশি ।
4 / 5
এই গবেষণা চলাকালীন, ২০২৩ সালে তিনি পান যে সমকামিতা বংশগতও । তিনি তার পরীক্ষাধীন বানরদের মধ্যে যারা সমকামী, তাদের ছয় শতাংশই- এই আচরণ পেয়েছেন তাদের বাবা-মার থেকে ।
5 / 5
দীর্ঘদিন ধরেই সমকামিতা বিজ্ঞানমহলে “ডারউইনের তত্ত্বের বিপরীত” বলেই আখ্যায়িত হয়েছে। যুক্তি হিসেবে বলা হয়েছে যেহেতু সমকামিতা বংশবিস্তারে অপারক ,তাই বিবর্তনের দৃষ্টিতে এই আচরণ সম্পূর্ণ মূল্যহীন ও ভিত্তিহীন। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা প্রমান করেছে যে মানুষের পূর্বসূরিরা যেহেতু জঙ্গলে কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে বেঁচে থাকতেই, সমকামিতাকে অন্তস্থ করেছিল। সেই সূত্রে পরবর্তীকালে সমকামিতাকে বংশপরম্পরায় পেয়েছি আমরাও।
শেয়ার করুন