1 / 9
একটি অস্বাভাবিক দৃশ্য ধরা পড়ল মেরঠ ক্যান্টনমেন্ট রেলস্টেশনের সিসিটিভি ক্যামেরায়। প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা যাত্রীদের সামনে অভ্যন্তরীণ সড়ক নয়, ঢুকে পড়ল গাড়ি! এ যেন মৃত্যুদূত!
2 / 9
চোখের পলকে এক সেনা জওয়ানের গাড়ি হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ে স্টেশনের ভিতরে এবং ছুটে যায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনের একেবারে সামনে! আতঙ্কে যাত্রীরা প্রাণ হাতে করে দৌড়ে পালান। শুক্রবার সেই ভয়ঙ্কর মুহূর্তের ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়ার পর দেশজুড়ে শুরু হয় চাঞ্চল্য।
3 / 9
কে এই সেনা জওয়ান? তাঁর নাম সন্দীপ ঢাকা। পেশায তিনি ভারতীয় সেনা। বর্তমান তাঁর পোস্টিং দিল্লি। এক আত্মীয়র চিকিৎসার জন্য তিনি মেরঠে এসেছিলেন। সবথেকে বড় কথা গাড়িটা তিনিই চালাচ্ছিলেন।
4 / 9
পুলিস জানায়, ঘটনার সময় তিনি নেশাগ্রস্ত ছিলেন। মেডিক্যাল পরীক্ষায়ও তা নিশ্চিত হয়েছে। তাঁর গাড়ি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং তাঁর ড্রাইভিং লাইসেন্সও বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে।
5 / 9
মেরঠ পুলিস একটি লিখিত বিবৃতিতে জানিয়েছে, 'সন্দীপ ঢাকা যা করেছেন, তাতে যাত্রীদের প্রাণ হারানোর সম্ভাবনা ছিল প্রবল। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।'
6 / 9
মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, রেল সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ, জনসাধারণের নিরাপত্তা বিপন্ন করা, প্রাণহানির সম্ভাবনামূলক আচরণে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।
7 / 9
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, একটি ঝাড়খণ্ড রেজিস্টার্ড নম্বরের গাড়ি আচমকা স্টেশনে ঢুকে যায়। গাড়িটি ট্রেনের প্রায় গা ঘেঁষে থামে। প্ল্যাটফর্মে উপস্থিত যাত্রীরা আতঙ্কে ছুটে পালান। একাংশ বলেছেন, 'যদি কয়েক সেকেন্ড দেরি হত, তাহলে বহু মানুষ পিষে যেত।'
8 / 9
সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘটনায় শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। কেউ বলছেন, 'সেনা মানে তো সুশৃঙ্খলতার প্রতীক। সেই সেনা জওয়ান যদি এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণ করেন, তবে জনগণের নিরাপত্তা কোথায়?' কেউ কেউ আবার বলেছে, 'মদ্যপ অবস্থায় সেনা সদস্যের স্টেশনে গাড়ি তোলা অত্যন্ত লজ্জাজনক। এর কড়া শাস্তি হওয়া উচিত।' আবার অনেকে বলেছে, 'সেনা মানেই ছাড় নয়। আইন সকলের জন্য সমান।'
9 / 9
সেনা জওয়ানের এই ঘটনা আমাদের একটা বড় প্রশ্নের মুখে দাঁড় করায়, দেশের নিরাপত্তা রক্ষী যদি নিজেই আইন না মানে, কাউকে পরোয়া না করে নিজের মতো আচার-আচরণ করে, তাহলে কে রক্ষা করবে সাধারণ নাগরিকদের? সন্দীপ ঢাকার নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এমন বিপজ্জনক কাণ্ড শুধু তাঁর ব্যক্তিগত ভুল নয়, এটি দেশের সেনাবাহিনী এবং আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার উপরও এক অন্ধকার ছায়া ফেলে।
শেয়ার করুন