1 / 12
'আজই ঘন ঘন মুখর বাদল দিনে....' বৃষ্টির মরসুমের জন্য একেবারে আদর্শ গান। এখন চলছে ভরা বর্ষার সময়। তাই, ইদানিংকালের আবহাওয়ার মুখ থাকে বেশ ভার। সারাদিনের প্রায় অধিকাংশ সময় জুড়েই এখন হতে থাকে বৃষ্টি। হ্যা, এটা ঠিক তারই মধ্যে কোনোকোনো দিন অল্পের জন্য অতিথি রূপে দেখা দেয় রোদ্দুর। আর, ঠান্ডা-গরমের এই আবহাওয়াতেই সৃষ্টি হচ্ছে নানা ধরনের রোগ। এখন বাংলার প্রায় প্রতিটা ঘরে ঘরে সর্দি-কাশি-জ্বর লেগেই রয়েছে। বর্ষাকালে ঠান্ডা লেগে ঘন ঘন জ্বর হওয়া খুবই সাধারণ, কিন্তু যদি তা দীর্ঘস্থায়ী বা ঘন ঘন হয়, তাহলে তা ভাইরাল ইনফেকশন, নিউমোনিয়া বা অন্য সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে।
2 / 12
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা। কারণ জ্বরের সঠিক কারণ নির্ণয় করা এবং সেই অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। চিকিৎসক আপনার শারীরিক অবস্থা বুঝে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সঠিক ওষুধ দেবেন। চলুন, তাহলে জেনে নয়া যাক এই সময় কী কি করা উচিত?
3 / 12
পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া:
জ্বর হলে শরীর দুর্বল হয়ে যায়। তাই এই সময় শরীরকে সুস্থ হতে দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। কাজ বা পড়াশোনা থেকে বিরতি নিয়ে যতটা সম্ভব ঘুমানোর চেষ্টা করুন। এতে আপনার শরীর দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠবে।
4 / 12
হাইড্রেটেড থাকা:
এই সময় জ্বর হলে শরীর থেকে প্রচুর জল বেরিয়ে যায়। তাই শরীরকে হাইড্রেটেড রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রচুর জল, ডাবের জল, ফলের রস বা স্যুপ পান করতে পারেন। এতে শরীর সতেজ থাকবে এবং জ্বর কমাতেও সাহায্য করবে।
5 / 12
উষ্ণ জল ব্যবহার করা:
গলা ব্যথা বা সর্দি হলে উষ্ণ জল দিয়ে গার্গল করলে উপকার পাওয়া যায়। হালকা গরম জলে সামান্য লবণ মিশিয়ে গার্গল করলে গলা ব্যথা কমতে পারে। এছাড়া উষ্ণ জল দিয়ে গোসল করলে শরীর আরাম পায় এবং ঠান্ডা লাগার প্রবণতাও কমে।
6 / 12
হালকা খাবার খান:
জ্বর হলে হজম ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই এই সময় ভারী বা মশলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন। হালকা এবং সহজে হজম হয় এমন খাবার যেমন, সেদ্ধ ভাত, ডাল, সবজির স্যুপ, নরম খিচুড়ি অথবা সুজি খেতে পারেন।
7 / 12
আজকাল আবহাওয়া যেমন চলছে তাতে অনেকেরই শরীর খারাপ করছে। তাই, দেখে অনেকে আবার ভয় পেয়ে নিউমোনিয়ার আশঙ্কাও করছে। নিউমোনিয়া হলো ফুসফুসের একটি মারাত্মক সংক্রমণ। এটি সাধারণত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস বা ছত্রাকের কারণে হয়। সাধারণ সর্দি-কাশির মতো লাগলেও এর কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ থাকে, যা দেখে সতর্ক হওয়া উচিত। বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক এবং দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মানুষের জন্য নিউমোনিয়া ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
8 / 12
বুকে ব্যথা:
গভীর শ্বাস নেওয়া বা কাশির সময় তীব্র বুকে ব্যথা হতে পারে। এই ব্যথা হালকা অস্বস্তি থেকে শুরু করে ছুরিকাঘাতের মতোও অনুভূত হতে পারে।
9 / 12
কাশি ও কফ:
নিউমোনিয়ার প্রধান লক্ষণ হল অনবরত কাশি। এই কাশি শুকনো হতে পারে, অথবা কফের সঙ্গে শ্লেষ্মা বা পুঁজ বেরিয়ে আসতে পারে। কফের রঙ সবুজ, হলুদ বা এমনকি হালকা রক্ত মিশ্রিতও হতে পারে।
10 / 12
জ্বর ও শরীর ঠাণ্ডা লাগা:
অনেক সময় উচ্চ মাত্রার জ্বর (103°F বা তার বেশি) এবং তার সঙ্গে প্রচণ্ড কাঁপুনি বা শরীর ঠাণ্ডা লাগার অনুভূতি হয়।
11 / 12
শ্বাসকষ্ট:
শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া বা দ্রুত শ্বাস নেওয়া নিউমোনিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ। ফুসফুসে সংক্রমণ এবং তরল জমার কারণে এই সমস্যা হয়। অনেক সময় শ্বাস নেওয়ার সময় বুকে ঘড়ঘড় শব্দও হতে পারে।
12 / 12
দুর্বলতা ও ক্লান্তি:
শরীর অত্যধিক দুর্বল এবং ক্লান্ত লাগা, খাবারে অরুচি এবং পেশিতে ব্যথাও নিউমোনিয়ার লক্ষণ হতে পারে।
শেয়ার করুন