1 / 5
অ্যালকোহল শরীরকে ডিহাইড্রেট করে দেয়। তাই আলকোহোল খাবার পর যদি অত্যাধিক মাথা ঝিম ঝিম করে, তা কমাতে বেশি করে জল খাওয়াই একমাত্র উপায়। যদি শুধু জলে কাজ না হয় তাহলে নারকেল জল বা ইলেক্ট্রোলাইট ড্রিংকও নেওয়া উচিত নির্দিষ্ট সময় অন্তর অন্তর।
2 / 5
প্রচন্ড নেশার পর কলা, স্যুপ বা হালকা ব্রথ গোত্রীয় খাবার খেলেও অনেকসময় শরীরের হারানো মিনারেল ফিরে আসে। ফলে নেশাও কমে যায় স্বল্প সময়ে। টোস্ট, বিস্কুট, ওটমিল বা পেটভরা খাবার খাওয়ার পর যদি কেউ অ্যালকোহোল খায়, সে ক্ষেত্রেও তাকে নেশা খুব একটা কাবু করতে পারে না।
3 / 5
খুব বেশি ধরলে মাথা ধরলে আইবুপ্রোফেন বা অ্যাসপিরিন এইসব ওষুধ খাওয়া যেতে পারে। তবে খুব নেশা হলে 'টাইলেনল/অ্যাসিটামিনোফেন' এই ওষুধগুলো না খাওয়াই ভালো। কারণ এগুলো লিভারের খুব ক্ষতি করে।
4 / 5
খুব বেশি বমিভাব লাগলে, একটু আদা বা আদা চা খাওয়া ভালো , কারণ এটি মন্ত্রের মতো নেশামুক্তির কাজ করে। আবার খুব বেশি ঝিমুনি ভাব লাগলে সেক্ষেত্রে কফিও মোক্ষম পানীয় হিসেবে কাজ করে। তবে হ্যাংওভারের সবচেয়ে ভালো থেরাপি হলো ঘুম। শরীরকে সময় দিলে, ২৪ ঘন্টার মধ্যে শরীর নিজেই রিকভার করে নেয়।
5 / 5
অনেকেই লেবুর জল বা লেবুর রস খাইয়ে নেশা কাটানোর চেষ্টা করেন। এটাই সবচেয়ে বহুলপ্রচলিত নেশামুক্তির উপায়। তবে নেশা কাটানোর কোনো ম্যাজিক পিল এখনও পর্যন্ত আবিষ্কার হয়নি পৃথিবীতে।
শেয়ার করুন