1 / 7
এই যোগাযোগ না হওয়ার পিছনে মূল যে কারণ কাজ করছে, তা হলো ভাষা। অনেক বিজ্ঞানীই মনে করেন যে এই যোগাযোগ অধরা থাকার প্রধান কারণ হলো আমাদের আর এলিয়েনদের ভাবপ্রকাশের ভিন্ন ধরণ।তবে এমন কি কোনো ভাষার অস্তিত্ব আছে, যা মহাবিশ্বের সার্বজনীন ভাষা ?
2 / 7
বিজ্ঞানীদের একাংশের মত, মহাবিশ্বের সার্বজনীন ভাষা হলো একমাত্র গাণিতিক ভাষা। সেই কারণে ১৭০০ র দশকে গ্যালিলিওর লেখা 'মহাবিশ্ব' -বইটি লিখেছিলেন গণিতের ভাষায়। আবার 'দ্য কন্ট্যাক্ট' ছবিটিতে আবার দেখানো হয়েছিল যে ভিনগ্রহীরা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করে মৌলিক সংখ্যার পুনরাবৃত্তি ঘটিয়ে।
3 / 7
এই কারণেই ভয়েজার নামক মহাকাশযানটির গায়ে ‘গোল্ডেন রেকর্ড’- হিসেবে খোদাই করা হয়েছিল গণিত আর পদার্থবিজ্ঞানের নানান চিহ্ন, যাতে ভিনগ্রহীরা আমাদের পৃথিবীর গল্প বুঝতে পারে।
4 / 7
সম্প্রতি একদল বিজ্ঞানী দাবি করছেন যে তুলনামূলক বিচার করলে, মৌমাছিদের থেকে শুধু করে মাকড়সা সবার মধ্যেই গাণিতিক বুদ্ধিমত্তা বিদ্যমান।
5 / 7
এর প্রমাণস্বরূপ বলা যায় যে, মৌমাছিরা যখন মৌচাক বানায়, তখন তারা মেপে ঝুপে, একেবারে গাণিতিক ফর্মুলা প্রয়োগ করেই বানায়।যা ইঞ্জিনিয়ারিং ভিন্ন আর কিছুই নয়।সাম্প্রতিক এক গবেষণা আবার প্রমাণ করেছে যে , মৌমাছিরাও নাকি যোগ-বিয়োগ করতে সক্ষম, জোড়-বিজোড়ের পার্থক্য করতেও সক্ষম, এমনকি এরা নাকি ‘শূন্য’-এর ধারণাও বুঝতে পারে, খানিকটা আমাদের মতোই।
6 / 7
এমনকি ‘ওয়াগল ডান্স’ - এর মাধ্যমে তারা খাবারের দূরত্ব, খাবারের পরিমান এমনকি সূর্যের সঙ্গে কত ডিগ্রি কোণে গেলে খাবার পাওয়া যাবে সেসব নির্ণয় করতেও সক্ষম।
7 / 7
এথেকেই প্রশ্ন উঠে এসেছে যে মানুষ আর মৌমাছি দুরকম প্রজাতিই গণিত বোঝে, তাহলে কি গণিত হতে পারে না মহাবিশ্বের ভিন্ন সব প্রজাতিগুলির মধ্যেকার সেই সার্বজনীন সেতু?
শেয়ার করুন