1 / 11
সম্প্রতি Reddit-এ ভাইরাল হওয়া একটি পোস্ট ফের সামনে এনে দিল ভারতের কর্পোরেট জগতের অমানবিক মুখ। এক ইউজার শেয়ার করেন, তাঁর এক বন্ধু একটি IT সংস্থায় আনপেড ইন্টার্নশিপ করছেন। কিন্তু বাবা-মায়ের অসুস্থতার কারণে তিনি জরুরি ছুটি চান। ভদ্র ভাষায় ছুটি চেয়ে নিজের দায়িত্বও বোঝাতে চেষ্টা করেন ইন্টার্নটি।
2 / 11
কিন্তু বসের প্রতিক্রিয়া? কটূক্তিপূর্ণ এবং পরোক্ষ অপমানে ভরা। 'ইন্টার্নশিপের সময় দায়িত্ব থাকে... বড় ইভেন্টের ৩ দিন আগে তুমি নেই... যাই হোক, এটা তোমার পছন্দ... এটা তোমার কাজের প্রতি সিরিয়াসনেস বোঝাচ্ছে।'
3 / 11
এই একটি উত্তরই যথেষ্ট ছিল ইন্টারনেটকে রাগিয়ে দেওয়ার জন্য।
4 / 11
কর্পোরেট সংস্কৃতির অমানবিক দিক এটা। ভারতীয় কর্পোরেট দুনিয়ায় ইন্টার্নদের প্রতি শ্রদ্ধাহীনতা ও পেশাগত অসদাচরণের নজির নতুন নয়।
5 / 11
অবৈতনিক ইন্টার্নদের দিয়ে ফুল-টাইম কাজ করানো, তাদের ছুটি না দেওয়া, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত রাখা -এসব যেন এক 'নতুন স্বাভাবিক' হয়ে দাঁড়িয়েছে।
6 / 11
ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশট ঘিরে Reddit ও X (সাবেক Twitter)-এ শুরু হয় বিতর্ক।
7 / 11
একজন কমেন্ট করেন, 'একজন ইন্টার্নের ছুটিতে যদি অফিস ভেঙে পড়ে, তবে ইন্টার্ন রাখারই দরকার নেই।'
8 / 11
আরেকজন লেখেন, 'ছুটি চাওয়া কখনোই অপরাধ নয়। তুমি ইন্টার্ন হও বা কর্মচারী—মানবিকতা প্রথম।'
9 / 11
তৃতীয় ব্যক্তি স্পষ্ট মন্তব্য করেন, 'অবৈতনিক ইন্টার্নশিপ মানেই শোষণ। এটা বন্ধ হওয়া উচিত।'
10 / 11
ইন্টার্নশিপ না শোষণশিপ? বহু শিক্ষার্থী ক্যারিয়ার গড়ার আশায় ইন্টার্নশিপ করেন। কিন্তু যেখানে টাকা নেই, সম্মান নেই, আর মানবিকতা তো দূর অস্ত, সেখানে ইন্টার্ন মানেই যেন এক আধুনিক ক্রীতদাস।
11 / 11
এই ঘটনা শুধু এক ব্যক্তির নয়—একটি দেশের কর্পোরেট মানসিকতার আয়না। একদিনের ছুটি চাওয়ায় অপমান! এটা কি পেশাদারিত্ব? নাকি একটা 'toxic professionalism'-এর মুখোশ? যুব সমাজ থেকে একটা প্রশ্ন ঘূর্ণাবর্তভাবে আবৃত করছে নেটপাড়ায় তা হল, 'আমরা কাজ করতে এসেছি, আত্মসমর্পণ করতে নয়! তাহলে এমন কেন অমানবিক আচরণ?'
শেয়ার করুন