1 / 7
গত ১০ বছরের সোনার দামের গ্রাফ বলছে যে ২০১৪ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত ১০ গ্রাম সোনার মূল্যের তেমন কোনো হেরফের দেখা না গেলেও , ২০২০ থেকে হঠাৎই বাড়তে শুরু করে সোনার দাম। এবং এখন তা আকাশচুম্বী। সম্প্রতি একটি রিপোর্ট বলছে যে গত ১০ বছরে 'নিফটি ফিফটিতে' যারা ইনভেস্ট করেছিলেন তারা ফেরত পেয়েছেন ১৩ শতাংশ। কিন্তু সোনায় যারা ইনভেস্ট করেছে তারা ফেরত পেয়েছে ১৫.৫৬ শতাংশ। সব দিক থেকে দেখতে গেলে গত ৫ বছরে যারা সোনায় ইনভেস্ট করেছেন তারা লাভবানই হয়েছেন।তবে ভবিষ্যতে কি সোনা ঠিক এমনই লাভ দেবে ? কি বলছে পরিসংখ্যান ?
2 / 7
এখন অনেকেই সোনার গয়না কেনার চেয়ে ডিজিটাল সোনা কেনা বেশি পছন্দ করেন। সোনার গয়নায়, মজুরি, ট্যাক্স, লকার ভাড়া - সব নিয়ে বাজনার চেয়ে খাজনা বেশি হাওয়ায়, অনেকেই এখন সোনার গয়না কেনার বিপক্ষে। আগে ভিন্ন ভিন্ন দোকানে খাদের পরিমান ভিন্ন ভিন্ন হওয়ায়, ঠিক কত পরিমান সোনা কিনলে, পরে কত 'রিটার্ন ' আসবে তা বোঝা যেত না। এখন সরকার সমস্ত সোনা ব্যবসায়ীদের জন্য গয়নায় খাদ মেশানোর নিয়ম, একই করে দেওয়ায়, এখন সেই জটিলতা থেকে অনেকটাই মুক্তি পেয়েছে গ্রাহকরা।
3 / 7
তবে ডিজিটাল সোনায় এমন কোনো সরকারি নির্দেশিকা না থাকায় , ডিজিটাল সোনা কিনে ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ডিজিটাল সোনার ক্ষেত্রে, যা ইনভেস্ট করা হয়, ভেঙে দেওয়ার সময় তার মূল্য কমে যায়। আবার যদি ৫ বছরের বেশি কেউ ডিজিটাল সোনা রাখেন তাহলে ১২.৫ % ট্যাক্স তাদের সরকারকে দিতে হয়। তাই ডিজিটাল সোনাতেও খুব-একটা লাভ হয় না।
4 / 7
' সাভেরিয়ান গোল্ড বন্ড ' হলো আরবিআই দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি প্রকল্প। এখানে কেউ যদি ২০১৪ য় ৪৩,০০০ টাকা প্রতি গ্রাম মূল্যে ১ কেজি সোনা কিনে রাখেন তবে ২০২৪ এ বন্ড ভাঙার সময় সোনার মূল্য যা থাকবে সেই মূল্যই ফেরত পাবেন, ১৩ শতাংশ ইন্টারেস্টের সঙ্গে। এই সোনাতে বিনিয়োগ করা খুবই লাভজনক কিন্তু সরকার থেকে এটিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। গত পাঁচ বছরে সোনার মূল্য অত্যাধিক বেড়ে যাওয়ার কারণে যারা সেইসময় এই প্রকল্পে বিনিয়োগ করেছিল তাদের 'রিটার্ন ' দিতে দিতেই সরকারের অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। তাই সরকার থেকে এটিকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ২০২৩ সালে।
5 / 7
গোল্ড ইটিএফ খুব ভালো একটি বিনিয়োগের মাধ্যম।অনেকেই সরাসরি সোনায় বিনিয়োগ করার জন্য এই মাধ্যমকেই বেছে নেন।এটির মাধ্যমে শুধু সরাসরি সোনাতেই বিনিয়োগ করা যায় না , সোনার কোম্পানিগুলোর শেয়ারও কেনা যায়। এটিতে কোনোরকম কোনো ট্যাক্স দিতে হয় না ঠিকই, তবে ইটিএফ-এর একটা চার্জ থাকে সেটি প্রতিবছর দিতে হয়। এটি কেনা বেচা সহজ, অনেকটা শেয়ার মার্কেটের মতোই, তাই অনেকেই এই ইটিএফ এর মাধ্যমে সোনায় বিনিয়োগ করা পছন্দ করেন। তবে শেয়ার মার্কেটের মতো এটিতেও ঝুঁকি খুব বেশি।
6 / 7
এছাড়াও গোল্ড মিউচুয়াল ফান্ড নামেও একধরণের বিনিয়োগ প্রকল্প আছে যেখানে 'গোল্ড কোম্পানি' গুলিতে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বিনিয়োগ করে, ৫- ৬ বছর পর সেটির থেকে একটা মোটা অংকের লাভ পাওয়া যায়। তবে গোল্ডের দাম কমে গেলে, এতেও লাভ করা দুস্কর হয়ে পড়ে।
7 / 7
চীন এখন সবচেয়ে বেশি নিজেদের স্টকে, সোনা কিনে রেখেছে তাই গোল্ডের বাজারে এমন মন্দা। তবে আসন্ন যুদ্ধ -পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে সোনার দাম যদি কমে তবে সব বিনিয়োগই বৃথা হয়ে যাবে।
শেয়ার করুন