1 / 5
সম্প্রতি একটি বিশেষ গবেষণা বলছে, পার্টনারের নাকডাকার শব্দে সারারাত ঘুমোতে না পারা বা অতিরিক্ত নড়াচড়ার কারণে পাশে শুয়ে ঘুমোতে না পারা - এধরণের সমস্যায় বিগত বেশ কয়েক দশক ধরেই ভুগছেন ৪৬ শতাংশ ভারতীয় দম্পতি। তাই এখন নিয়মিত তারা রাতে আলাদা ঘুমান।
2 / 5
এই স্লিপ ডিভোর্স মূলত অনেকগুলি কারণের জন্যই হয়ে থাকে। প্রথম কারণ হলো দুজনের ঘুমোনোর টাইম এক না হওয়া। ভাবুন আপনি ১০ টার মধ্যে ডিনার সেরে ঘুমিয়ে পড়াই বেশি প্রেফার করেন। কিন্তু অন্যদিক থেকে আপনার পার্টনার রাত ১ টা পর্যন্ত শুয়ে শুয়ে ইন্সটা - রিল ঘাঁটতে থাকে। এই জীবনশৈলীর পার্তথক্যের জন্য ধীরে ধীরে স্বামী- স্ত্রী আলাদা ঘুমোতে শুরু করে। যার ফলেই বাড়তে থাকে দূরত্ব।
3 / 5
আবার ধরুন আপনার পার্টনারের ঘুম এতটাই গভীর যে, কানের কাছে তাসা বাজালেও তার ঘুম ভাঙে না , অথচ আপনার ঘুম এতটাই হালকা যে যেকোনো ছোটোখাটো আওয়াজ হলেই আপনার ঘুম ভেঙে যায়। তাই শান্তিতে ঘুমোতে আপনি নিরিবিলি জায়গা খোঁজেন।
4 / 5
এই স্লিপ ডিভোর্সের কি কোনো পজিটিভ সাইড আছে ? দম্পতিরা বলছেন,'ভুরি ভুরি'. ভালো ঘুম মুড ভালো রাখতে সাহায্য করে, যার ফলে স্বামী বা স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া কম হয়। আর ভালো ঘুম হওয়ার কারণে দুজনেই ফ্রেশ থাকেন অনেকক্ষন যারফলে দুজনেই দুজনকে সময় দিতে পারেন।
5 / 5
তাই প্রায় এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি দম্পতি এখন মাঝে মাঝেই আলাদা ঘুমোন। সম্পর্ক ভাঙার জন্য নয়, বরং সম্পর্ক ভালো রাখতেই এই বিকল্প।
শেয়ার করুন