1 / 7
সলিল চৌধুরীর জন্ম ১৯২২ সালের ১৯ নভেম্বর, অবিভক্ত বাংলার দক্ষিণ ২৪ পরগনার গাজীপুরে।৮ ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। শোনা যায় তার শৈশব কেটেছে অসমের চা-বাগানে বাবার চাকরির সুবাদে।
2 / 7
তাঁর বাবা জ্ঞানেন্দ্রময় চৌধুরী ছিলেন চা-বাগানের ডাক্তার এবং চা বাগানের শ্রমিকদের নিয়ে তিনি মাঝে মাঝে নাটকও করতেন।
ব্রিটিশবিরোধী পরিবারে বড় হলেও সলিল বেড়ে ওঠেন পশ্চিমি সংগীত শুনে শুনেই।
3 / 7
বিদ্যালয় শেষে তিনি কলকাতায় বঙ্গবাসী কলেজে পড়তে আসেন।
১৯৪৪ সালে হয়ে ওঠেন ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য এবং যুক্ত হন গণনাট্য সংঘে।
4 / 7
গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের কাছে উন্নয়ন ও সচেতনতার বার্তা পৌঁছাতে তিনি লিখেছেন অসংখ্য ছড়া, গান ও নাটক।মাত্র ২২ বছর বয়সেই সৃষ্টি করেন 'গাঁয়ের বঁধূ'—যা আজও অনবদ্য।
5 / 7
ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর নিয়ে ছড়িয়ে আছে বহু গল্প। একবার শচীন দেব বর্মন মজা করে বলেছিলেন—“আমার ছেলে আমার গান শোনে না, সারাদিন তোমার গানই শোনে!”
6 / 7
বাংলা ছাড়াও হিন্দি, মালায়ালম, তামিল, তেলেগু, ওড়িয়া—সব ভাষার ছবিতেই শোনা যায় তাঁর সুর।"ধিতাং ধিতাং বলে', 'নীল ধ্রুবতারা', 'উড়ে যারে পাখি'—তাঁর গান আজও কালজয়ী।
7 / 7
জীবনের পথে দু’বার বিবাহ—প্রথমে চিত্রশিল্পী জ্যোতি চৌধুরী, পরে গায়িকা সবিতা চৌধুরীর সঙ্গে।১৯৯৫ সালের ৫ সেপ্টেম্বর চলে গেলেও, তাঁর গান আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সকলে।
শেয়ার করুন