1 / 5
১৪৬৯ সালে জন্মগ্রহণ করেছিলেন নানক। ১৫ শতাব্দীর যে সময়ে তিনি জন্মেছিলেন সেই সময় সমাজে ছিল জাতিভেদ প্রথা। নানকই প্রথম এই প্রথা তুলে সাম্যবাদের কথা বলেছিলেন।
2 / 5
তিনি পরিব্রাজকের ন্যায় জীবন যাপন করতেন। তারা জীবনী পরে জানা যায়, যে তিনি, তাঁর জীবনে এতো বেশি ভ্রমণ করেছেন, পৃথিবীর আর কোনো ধর্মগুরু এতো বেশি পথ অতিক্রম করেননি। সেইকারণে তাকে , ' মোস্ট ট্রাভেলড রিলিজিয়াস লিডার' - বলে আখ্যাও দেওয়া হয়েছে। জানা যায় তিনি তাঁর জীবনের ২০ বছর শুধুমাত্র ভ্রমণ করেই কাটিয়েছেন। তিব্বত, তুর্কি থেকে শুরু করে মক্কা মদিনা - এহেন আর কোনো এমন জায়গা নেই যেখানে তিনি যাননি।
3 / 5
তাঁকে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নাম ডাকা হয়। যেমন আফগানিস্তানে তাকে নানক পীর, নেপালে ঋষি নানক, ইরাকে বাবা নানক, শ্রীলংকায় নানক চারা, তিব্বতে নানক লামা।
4 / 5
উনি প্রথম লঙ্গর -এর ধারণা এনেছিলেন সমাজে।ছোট থেকেই তিনি সবার জন্য রান্না হবে এমন একটি রান্নাঘরের কথা সবসময় বলতেন। তাঁর তৈরী করা এই ঐতিহ্যে এখনও গুরুদ্বারগুলিতে অনুসরণ করা হয়।
5 / 5
জানেন কি বিদ্যাসাগরের জন্মের অনেক আগেই গুরুনানক বিধবা বিবাহের কথা বলে গেছেন। তিনি মেয়েদের সমাজে অগ্রাধিকার না দেওয়ার ঘর বিরোধিতা করেছিলেন একসময়। তিনি বলেছিলেন যে নারী সবকিছুর স্রষ্টা, তাঁকে এগোতে না দেওয়া অপরাধ।
শেয়ার করুন