1 / 7
লক্ষীদেবী কোনো দেবতা নন। তিনি আদতে অসুর কন্যা। পুরানে লক্ষীদেবীর যে তিনজন পিতার উল্লেখ পাওয়া যায়, তারা সকলেই ছিলেন অসুর। অসুর বংশে জন্মানোর কারণে লক্ষীদেবীও ছিলেন একজন অসুরী।
2 / 7
পুরানে আছে যে পিতার সঙ্গে একসময় 'মাটির নিচে'- ই থাকতেন তিনি। তাই পৃথিবীর সমস্ত ধনসম্পত্তির উৎস হলো মাটির নিচ। ফসলের অঙ্কুরোদগম হয় মাটির নিচে। মূল্যবান ধাতু পাওয়া যায় মাটির নিচে। এমনকি জল বা অন্যান্য প্রাণীজ সম্পদের অস্তিত্বও পাওয়া যায় মাটির নিচেই ।
3 / 7
তবে লক্ষীর আসল অবস্থান পাতালে হলেও, লক্ষীর গুরুত্ব তখনই বৃদ্ধি পায় যখন তাকে পাতাল থেকে তুলে আনা হয়। তাই পুরান মতে লক্ষী তখনই 'দেবী' হন যখন তার দেবতার সঙ্গে বিবাহ হয়।
4 / 7
তিনি অসুরী বলেই...দেবতা হওয়া স্বত্বেও তাকে বস্তুবাদের দেবী বলে আখ্যা দেওয়া হয়। ধন, সম্পদের মতো আসুরিক প্রবৃত্তির সঙ্গে জুড়ে আছ তার নাম।
5 / 7
মনে করা হয়, দেবরাজ ইন্দ্রের সঙ্গে লক্ষীর বিবাহ হয় তার প্রথমে। কিন্তু লক্ষী চঞ্চলা, যিনি শ্রেষ্ঠ পুরুষ , লক্ষীদেবী শুধু তার সাথেই থাকেন। সমুদ্রমন্থনের পর দেবী বুঝতে পারেন যে নারায়ণ -ই হলেন শ্রেষ্ঠ পুরুষ তাই নারায়ণের সঙ্গেই থেকে যান তিনি পাকাপাকিভাবে।
6 / 7
সমুদ্রমন্থনও হয়েছিল লক্ষীর কারণেই। একবার ইন্দ্র প্রচন্ড অপমান করেন লক্ষীকে। সেই অপমান সহ্য করতে না পেরেই, লক্ষী রাগ করে আশ্রয় নেন সমুদ্রের তলায়। তাকে তুলে আনতেই সমুদ্রমন্থন করা হয়েছিল। আবার অনেকে মনে করেন যে সমুদ্রমন্থন বিষয়টি আসলে একটি রূপক। বাজারে ক্রেতা- বিক্রেতার সামঞ্জস্য থাকলে তবেই লক্ষীলাভ হয়। এই গল্পই নাকি বোঝানো হয়েছে সমুদ্রমন্থনের মাধ্যমে।
7 / 7
আবার পুরানে এও বর্ণিত আছে যে অসুররা তাদের ভগিনী লক্ষীকে পাতালে ফিরিয়ে আনতে চাইতেন বার বার। তাই অসুরদের সঙ্গে দেবতাদের লড়াই সবসময় লেগেই থাকতো সবসময় ।
শেয়ার করুন