1 / 7
ভারতের টেলিকম বাজারে বিপ্লব আনার পর এবার Reliance Jio 6G নতুন যুগের সূচনা করতে প্রস্তুত। 4G দিয়ে শুরু করে 5G-তে রেকর্ড গতিতে পৌঁছানোর পর, এবার লক্ষ্য 6G প্রযুক্তি। কোম্পানির সর্বশেষ বার্ষিক রিপোর্টে স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে-জিও কেবল ভবিষ্যতের যোগাযোগ প্রযুক্তি নিয়েই কাজ করছে না, বরং 6G-তে গ্লোবাল লিডার হওয়ার জন্য সক্রিয়ভাবে গবেষণা ও উন্নয়ন চালিয়ে যাচ্ছে।
2 / 7
২০১৬ সালে 4G চালুর পর থেকে জিও ভারতের ডিজিটাল দুনিয়ার রূপ আমূল বদলে দিয়েছে। সাশ্রয়ী দামে দ্রুতগতির ইন্টারনেট পৌঁছে দিয়েছে কোটি কোটি মানুষের কাছে। এরপর ২০১৮-তে চালু করেছে ফাইবার-টু-দ্য-হোম সার্ভিস, ২০২২-এ স্বতন্ত্র 5G, আর ২০২৪-এ এনেছে ফিক্সড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস (FWA) প্রযুক্তি। এখন প্রতি মাসে জিও ১৭ এক্সাবাইটেরও বেশি ডেটা পরিচালনা করছে, যা ভারতের মোট ওয়্যারলেস ডেটা ট্র্যাফিকের প্রায় ৬০%।
3 / 7
বর্তমানে জিওর ১৯ কোটি 5G ব্যবহারকারী রয়েছে, যা কোম্পানির মোট ডেটা ট্র্যাফিকের প্রায় ৪৫%। ব্রডব্যান্ড সেগমেন্টেও জিও প্রায় ১৮ কোটি ঘরে সংযোগ দিয়েছে, যা বছরে নতুন সংযোগের প্রায় ৮৫%। শুধু স্থলভিত্তিক নেটওয়ার্কেই নয়, জিও কাজ করছে নিজস্ব স্যাটেলাইট যোগাযোগ প্ল্যাটফর্ম তৈরিতে এবং SpaceX-এর Starlink-র সঙ্গে যৌথভাবে ভারতজুড়ে ব্রডব্যান্ড পরিষেবা পৌঁছে দিতে।
4 / 7
প্রযুক্তিগত অগ্রগতির পাশাপাশি জিও টেকসই ভবিষ্যতের দিকেও নজর দিচ্ছে। লক্ষ্য-২০২৯-৩০ অর্থবছরের মধ্যে ১০০% পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তিতে রূপান্তর এবং ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ সবুজ বিদ্যুৎ উৎপাদন। রিলায়েন্স গ্রুপের বড় পরিকল্পনা, ২০৩৫ সালের মধ্যে নেট-জিরো কার্বন ফুটপ্রিন্টে পৌঁছানো।
5 / 7
এনার্জি দক্ষতায় জিওর সাফল্যও উল্লেখযোগ্য। বিশ্বব্যাপী গড়ের তুলনায় জিও প্রতি GB ডেটা ব্যবহারে প্রায় ৩০% কম বিদ্যুৎ খরচ করে। GSM Association (GSMA) ২০২৫ সালের মার্চে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
6 / 7
এছাড়া, জিও সরকারের ইন্ডিয়াএআই (IndiaAI) মিশনের সঙ্গেও কাজ করছে, যা জাতীয় পর্যায়ে একটি শক্তিশালী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ইকোসিস্টেম গড়ে তুলতে সহায়তা করবে। AI এবং হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং প্রযুক্তি ডেটা প্রক্রিয়াকরণে যে বিশাল শক্তি চাহিদা তৈরি করবে, জিও ইতিমধ্যেই তার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।
7 / 7
সব মিলিয়ে, জিও কেবল ভারতের টেলিকম সেক্টরের চেহারা পাল্টাচ্ছে না—বিশ্বব্যাপী সংযোগ, টেকসই শক্তি, এবং AI উদ্ভাবনের ভবিষ্যতেও নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করছে। 6G প্রযুক্তি এলে, শুধু নেটওয়ার্ক স্পিডই নয়, IoT, মেটাভার্স, রিমোট সার্জারি, স্মার্ট সিটি—সব ক্ষেত্রেই বিপ্লব ঘটতে পারে। আর সেই বিপ্লবের নেতৃত্বে থাকতে চায় Jio।
শেয়ার করুন