1 / 5
এর আগে সাপ কামড়ালেই, নিতে হতো অ্যান্টিভেনাম ইনজেকশন। অ্যান্টিভেনাম তৈরির নিয়ম হলো, সাপের বিষ ঘোড়ার রক্তে প্রবেশ করানো হয়। এবং এর ফলে ঘোড়ার দেহে যে অ্যান্টিবডি তৈরী হয়, সেটাই ঘোড়ার দেহ থেকে সংগ্রহ করে , প্রবেশ করানো হয় মনুষ্য শরীরে।
2 / 5
এই অ্যান্টিভেনাম মানুষের শরীরে ঢোকার ফলে প্রধান যে সমস্যাটি দেখা যেত, সেটি হলো 'পার্শপ্রতিক্রিয়া'। সাধারণত চন্দ্রবোড়া কামড়ালে তার প্রতিরোধ করার জন্য যে অ্যান্টিভেনাম লাগবে, শঙ্খচূড় কামড়ালে তার থেকে আলাদা লাগবে। তাই প্রতিটা টক্সিনের জন্য আলাদা আলাদা অ্যান্টিভেনাম তৈরী করতে হয়। আর তাই প্রতিটা সাপের বিষের জন্য আলাদা আলাদা অ্যান্টিভেনাম বানানো সময়সাপেক্ষ এবং খরচসাপেক্ষ হয়ে যায়।
3 / 5
এছাড়াও বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন ভিন্ন ঘোড়া অ্যান্টিভেনাম তৈরির কাজে ব্যবহারের জন্য, অ্যান্টিভেনামের গুণমানেই মধ্যেও পার্থক্য দেখা যায়।
4 / 5
এই সমস্যা সমাধানের জন্য টেকনিক্যাল ইউনিভার্সিটি অফ ডেনমার্ক -এর কয়েকজন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছেন 'অ্যান্টিভেনাম মলিকিউল'। জানা গেছে এই মলিকিউল সাপের টক্সিনের মলিকিউল সঙ্গে যুক্ত হয়ে এমন এক 'অ্যান্টিভেনাম মলিকিউল' গঠন করবে যা আলাদা আলাদা ২০ টি সাপের বিষকে একাই প্রতিরোধ করতে সক্ষম।
5 / 5
তাই এখন আর সাপ কামড়ালে, ঠিক কোন সাপ কামড়েছে সেটির সনাক্ত না হাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। কোন সাপ কামড়েছে সেটি শনাক্ত না করেই শরীরে দেওয়া যাবে অ্যান্টিভেনাম। একসময় সাপ শনাক্ত না করে কোনোভাবেই দেওয়া হতো না 'অ্যান্টিভেনাম'। যার ফলে প্রচুর সময় নষ্ট হতো চিকিৎসায়।এখন আর তা হবে না। এখন কোন সাপ কামড়েছে না জেনেই রুগীর দ্রুত চিকিৎসা করা যাবে বলে জানিয়েছেন ডেনমার্কের ওই জীববিজ্ঞানীর দল।
শেয়ার করুন