1 / 8
পরিসংখ্যান বলছে ৩৯ শতাংশ মহিলা পরকীয়ায় জড়ায় একঘেয়ে যৌনজীবন থেকে মুক্তি পেতে। তবে শুধু যৌনতায় পরিতৃপ্তি না পাওয়াই মহিলাদের পরকীয়ায় জড়ানোর একমাত্র কারণ নয়। একাধিকবার প্রতারণার স্বীকার হয়েও, অনেক সময় মহিলারা আসক্ত হয়ে পড়েন পরপুরুষে।
2 / 8
সম্প্রতি এক গবেষণা বলছে যে পরকীয়ায় পিছিয়ে নেই পুরুষরাও। ২৫ শতাংশ পুরুষই মনে করেন যে একই নারীসঙ্গ - বোরিং জীবনেরই আর এক নাম। একাধিক নারীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কই - জীবনকে করে তোলে রঙিন।
3 / 8
তবে দাম্পত্য সমস্যায় জর্জরিত হয়ে, যারা পরকীয়ায় জড়ান তাদের মধ্যে ৭৪ শতাংশই নারী। যার অর্থ দাম্পত্য সমস্যাকে 'গুরুতর সমস্যা' মনে করেন একমাত্র নারীরাই। পুরুষরা তাদের ব্যক্তিগত সমস্যাকে খুব বেশি আমল দেন না।
4 / 8
যারা পরকীয়ায় জড়ান তারা অনেক আঁট - ঘাট বেঁধেই নামেন এই খেলায়। এক গবেষণা বলছে যারা এই অবৈধ প্রেমে জড়ান ,তারা আগে দেখে নেন যে তাদের ফ্রেন্ড - সার্কেল 'কমন' কিনা। সাধারণত বন্ধুবান্ধবদের সার্কেল এক হলে - অনেকেই পিছিয়ে আসেন এই সম্পর্কে থেকে ।
5 / 8
অনেকেই সাংসারিক জীবনে সুখ বজায় রাখতে লুকিয়ে পরকীয়ায় জড়ান। তারা মানসিকভাবে দৈত্ব সত্বা নিয়ে বাঁচেন। তবে এক মনস্ত্বাত্বিক গবেষণা বলছে ২১ শতাংশ পুরুষই এমন কারুর সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান যাকে তার স্ত্রীরা চেনেন খুব ভালো করে।
6 / 8
মহিলারা পরকীয়ায় জড়ান তখনই, যখন তারা তার পার্টনারের থেকে কাঙ্খিত ভালোবাসা পান না। মানসিকভাবে নিজেদের অবহেলিত এবং উপেক্ষিত মনে করেন। তখন কোনো পুরুষের কাছ থেকে পাওয়া ছোট্ট একটি কমপ্লিমেন্টও তাদের আসক্ত করে দিতে পারে সেই পুরুষে।
7 / 8
তবে পরকীয়া অনেক সময় ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলোতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। পরকীয়ায় যারা আনন্দ পান তারা অনেক সময়ই ব্যক্তিগত সম্পর্কগুলোতে যেসব নেতিবাচক দিক থাকে সেগুলো ইগনোর করার শক্তি পান পরকীয়া থেকে। যা তাদের সাংসারিক জীবনেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।
8 / 8
২০১৮ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট একটি রায় দেয় যে, পরকীয়াকে আর অপরাধমূলক আইনের আওতায় ফেলা যাবে না। বরং অপরাধমূলক আইন থেকে সরিয়ে পরিবারমূলক ব্যক্তিগত আইনের আওতায় ফেলা হবে। এটি কার্যকরী করার জন্য ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৭ ধারাকেও বাতিল করা হয়।
শেয়ার করুন