1 / 9
"রথ"—মাত্র একটি শব্দ, অথচ এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজার বছরের ইতিহাস, সভ্যতা, পুরাণ, ধর্ম এবং সংস্কৃতি। পুরী থেকে প্রাচীন বিশ্বসভ্যতা পর্যন্ত রথ শক্তি, রাজকীয় মর্যাদা ও দেবত্বের চিরন্তন নিদর্শন।
2 / 9
প্রাচীন মেসোপটেমিয়া, মিশর ও গ্রিসে রথ ছিল দেবত্ব, শক্তি ও রাজকীয় মর্যাদার প্রতীক। সূর্যদেবের রথ থেকে ফারাওদের যুদ্ধরথ—রথ মানবসভ্যতার অন্যতম প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।
3 / 9
রামায়ণে পুষ্পক রথ দেবীয় শক্তি ও বিজয়ের প্রতীক। কুবের থেকে রাবণের অধিকারে, পরে শ্রীরামের অযোধ্যা প্রত্যাবর্তন—এই অলৌকিক রথ পুরাণের অন্যতম স্মরণীয় ঐতিহ্য।
4 / 9
মহাভারতে অর্জুনের কপিধ্বজ রথ ধর্ম, ন্যায় ও ঈশ্বরীয় আশীর্বাদের প্রতীক। শ্রীকৃষ্ণের সারথিত্ব এবং পতাকায় হনুমানের উপস্থিতি এই রথকে অনন্য মহিমায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।
5 / 9
পুরীর রথযাত্রায় জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রা পৃথক রথে গুণ্ডিচা মন্দিরে যাত্রা করেন। নন্দিঘোষ, তালধ্বজ ও দর্পদলন রথ প্রতিবছর নতুন কাঠে প্রাচীন আচার মেনে নির্মিত হয়।
6 / 9
রথযাত্রার উৎপত্তি জড়িয়ে আছে ইন্দ্রদ্যুম্নের স্বপ্নাদেশ, বিশ্বকর্মার অসম্পূর্ণ মূর্তি নির্মাণ এবং জগন্নাথ, বলভদ্র ও সুভদ্রার গুণ্ডিচা মন্দির যাত্রার ঐতিহ্যের সঙ্গে।
7 / 9
শ্রীচৈতন্যদেবের ভক্তি আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলায় রথযাত্রার প্রসার ঘটে। হুগলির মাহেশের রথযাত্রা, ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারীর উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত, আজও অন্যতম প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রথোৎসব।
8 / 9
১৮৮৫ সালে কৃষ্ণচন্দ্র বসুর উদ্যোগে নির্মিত মাহেশের বিশাল লোহার রথ বাংলার ঐতিহ্যের গৌরব। বহু তলা ও বহু টন ওজনের এই রথ আজও রথযাত্রার প্রধান আকর্ষণ।
9 / 9
রথের প্রতিটি চাকা ইতিহাস, পুরাণ, ভক্তি ও সংস্কৃতির ধারক। তাই রথযাত্রা শুধু ধর্মীয় উৎসব নয়, ভারতীয় সভ্যতার জীবন্ত ঐতিহ্য, যা আজও কোটি মানুষের হৃদয়ে অম্লান।
শেয়ার করুন